লোড হচ্ছে...
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।’
৭ দিন আগে

খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ভলিবল, হকি ও টেনিসসহ বিভিন্ন খেলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী খেলোয়াড়রা দেশের গর্ব ও সম্পদ। তাদের অর্জনের স্বীকৃতি দিতে হবে। একইসাথে নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকেও আরো সমৃদ্ধ করতে হবে।
৮ দিন আগে

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাড়তি সময়কে প্রস্তুতির কাজে লাগাতে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে সরকার। উত্তরণের আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে মুক্তবাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শেষ করার লক্ষ্যও রয়েছে।
৮ দিন আগে

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি খাত বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল নয়। এ পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে এলপিজির সরবরাহ ও মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য সরকার সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করছে।’
১৩ দিন আগে

ওমানের সাথে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দিতে চায় বাংলাদেশ। এ জন্য বাণিজ্যের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে, নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে হবে এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে হবে।
১৪ দিন আগে

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
১৬ দিন আগে

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশের আমদানি প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে বাংলাদেশ দেশটিতে মাত্র প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি করে। এই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশের রফতানি বাড়ানো প্রয়োজন।’
২০ দিন আগে

প্যাকিং হাউজ কাম কোল্ড স্টোরেজ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করা গেলে সিলেটকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কৃষিপণ্য রফতানিকারক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, টিসিবির নতুন ‘উপকারী’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে প্রচলিত কার্ডের পাশাপাশি নিরাপদ ডিজিটাল মাধ্যমেও উপকারভোগীরা সেবা নিতে পারবেন। ডিজিটালি স্বাক্ষরিত ও এনক্রিপ্টেড কিউআর কোডের মাধ্যমে উপকারভোগীর পরিচয় ও পণ্য পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই করা হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


